বৃষ্টির দুপুরে মা কণিকা ও বোন মিথিলার ভিজা গুদের বাল কেটে চোদাচুদির রোমাঞ্চ


বৃষ্টির দুপুরটা যেন আজ পুরো বাড়িটাকে একটা আলাদা জগতে নিয়ে গিয়েছে। আমি প্রীতম, আমার ঘরের জানালায় দাঁড়িয়ে বাইরের দিকে তাকিয়ে দেখছি কীভাবে আকাশ ফেটে পড়ছে। জানালার কাচে বৃষ্টির ফোঁটা ঝরছে আর সেই সাথে ঘরের ভিতরটা গরম আর আর্দ্র হয়ে উঠেছে। বাবা তো অনেকদিন আগে চলে গেছে, তাই বাড়িতে শুধু আমি, আমার মা কণিকা আর আমার বোন মিথিলা। মা কণিকা চল্লিশ দুই বছরের, কিন্তু এখনো শরীরটা এমন যে দেখলেই ধোন খাড়া হয়ে যায়। বড় বড় দুধ, মোটা মোটা পাছা, আর কোমরটা এমন ভাবে দুলে যায় যে চোখ সরাতে পারি না। আর মিথিলা, আমার বোন, বয়স বাইশ, কলেজে পড়ে, শরীরটা টাইট টাইট, ছোট ছোট দুধ কিন্তু পাছাটা এমন গোল যে জিন্সে ঢুকলে ফেটে বেরিয়ে আসে। আজকের এই বৃষ্টির দুপুরে দুজনেই ঘরে আটকে আছে।


আমি লিভিং রুমে গিয়ে দেখি মা আর বোন সোফায় বসে আছে। মা পরেছে একটা পাতলা নাইটি, যেটা বৃষ্টির আর্দ্রতায় গায়ের সাথে লেপটে গেছে। তার দুধের আকৃতি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, ব্রা পরেনি বলে নিপল দুটো উঁচু হয়ে আছে। মিথিলা পরেছে একটা শর্ট টপ আর শর্টস, তার ঊরু দুটো সাদা সাদা, আর শর্টসটা এত টাইট যে গুদের লাইনটা প্রায় বোঝা যাচ্ছে। আমি বসলাম তাদের সামনে, ধোনটা ইতিমধ্যে একটু নড়চড় করছে। “কী গরম লাগছে রে আজ, বৃষ্টি হচ্ছে অথচ এমন ভ্যাপসা,” মা বললেন, নিজের গলায় হাত বুলিয়ে। আমি হাসলাম, “হ্যাঁ মা, তোমার নাইটিটা তো গায়ে লেপটে গেছে, দেখো তোমার দুধ দুটো কেমন ফুটে উঠেছে।” মা লজ্জা পেয়ে হাসলেন, কিন্তু সরালেন না। মিথিলা বলল, “দাদা, তুমি তো সবসময় এমন নোংরা কথা বলো। কিন্তু সত্যি, আজ শরীরটা এমন চটচট করছে যে কিছু করতে ইচ্ছে করছে না।”

কথা চলতে চলতে আমরা তিনজনেই কাছাকাছি হয়ে বসলাম। টিভিতে কোনো সিনেমা চলছে, কিন্তু কেউ দেখছে না। আমার চোখ বারবার মায়ের দুধ আর মিথিলার ঊরুর দিকে চলে যাচ্ছে। হঠাৎ মিথিলা বলল, “মা, তুমি তো বলছিলে তোমার বালটা অনেকদিন কাটা হয়নি। বৃষ্টির দিনে এমন ভিজা ভিজা লাগে, কেমন অস্বস্তি হয়। আমারও একই অবস্থা।” মা লজ্জায় লাল হয়ে গেলেন, কিন্তু আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, “হ্যাঁ রে, কিন্তু আজ বাইরে যাওয়ার উপায় নেই।” আমার মাথায় একটা প্ল্যান এল। আমি আস্তে আস্তে বললাম, “মা, মিথিলা, আমি তো তোমাদের বাল কেটে দিতে পারি। খুব সাবধানে, আর এতে তো কোনো সমস্যা নেই। বৃষ্টির দুপুরে এমন মজার কাজ করলে সময়ও কাটবে।” দুজনেই প্রথমে অবাক হয়ে আমার দিকে তাকাল। মা বললেন, “প্রীতম, তুই কী বলছিস রে? আমি তো তোর মা!” কিন্তু তাঁর চোখে একটা চকচকে ভাব দেখলাম। মিথিলা হেসে বলল, “দাদা, তুমি সিরিয়াস? আমার গুদের বাল কাটবে? কিন্তু... ঠিক আছে, বোরিং তো লাগছেই।”

আমার ধোন এখন পুরো খাড়া। আমি উঠে বাথরুমে গেলাম, রেজার, ফোম, গরম পানি, তোয়ালে সব নিয়ে এলাম। লিভিং রুমের মাঝখানে একটা বড় তোশক পেতে দিলাম। মা আর মিথিলা দুজনেই এখন উত্তেজিত। প্রথমে মা শুয়ে পড়লেন। আমি তাঁর নাইটিটা উপরে তুলে দিলাম। ওয়াও, মায়ের গুদটা দেখে আমার নিশ্বাস আটকে গেল। মোটা মোটা ঠোঁট, মাঝখানে কালো কালো বাল ঢাকা, আর কিছু বাল পাছার দিকেও ছড়িয়ে আছে। “মা, তোমার গুদটা তো খুব সুন্দর, কিন্তু বাল কাটলে আরও ফাটাফাটি লাগবে,” আমি বললাম। মা লজ্জায় চোখ বন্ধ করলেন কিন্তু পা দুটো ফাঁক করে দিলেন। আমি ফোম লাগিয়ে দিলাম, আঙুল দিয়ে গুদের ঠোঁট টেনে ধরে বালগুলো সাফ করতে শুরু করলাম। রেজার চালাতে চালাতে আমার আঙুল মায়ের ভিজা গুদের ভিতর ঢুকে যাচ্ছে। “উফ প্রীতম, তোর আঙুলটা... আহ... খুব ভালো লাগছে,” মা ফিসফিস করে বললেন। আমি বললাম, “মা, তোমার এই ফাটা গুদটা দেখে আমার ধোন ফেটে যাচ্ছে। বাল কেটে দিয়ে তোমাকে আজ চুদব। মায়ের গুদ চোদা গল্পটা আজ সত্যি হবে।”

মায়ের গুদটা পুরো পরিষ্কার হয়ে গেল। গোলাপি গোলাপি, ভিজা ভিজা, আর ক্লিটটা ফুলে উঠেছে। আমি আর থাকতে পারলাম না, মুখ নামিয়ে দুধ চাটতে শুরু করলাম। মায়ের বড় বড় দুধ দুটো মুখে নিয়ে চুষতে চুষতে আঙুল গুদে ঢুকিয়ে নাড়াতে লাগলাম। “আহ প্রীতম, তোর মা’র দুধ চাটতে চাটতে মাকে বউ বানিয়ে ফেললি রে... চোদ মাকে... তোর ধোন ঢুকিয়ে দে,” মা চিৎকার করে উঠলেন। আমি প্যান্ট খুলে আমার মোটা ধোন বের করলাম। মায়ের ভিজা গুদে ঘষতে ঘষতে বললাম, “মা, এই দেখো তোমার ছেলের ধোন। আজ বৃষ্টির দুপুরে মায়ের ফাটা পাছা মেরে ধোন চুদাচুদি করব।” এক ঠাপে ধোনটা পুরো ঢুকিয়ে দিলাম। মায়ের গুদটা টাইট, ভিজা, গরম। আমি জোরে জোরে চোদা শুরু করলাম। প্রত্যেক ঠাপে মায়ের দুধ দুলছে, তিনি চিৎকার করছেন, “চোদ রে প্রীতম, তোর মাকে চুদে ফাটিয়ে দে... মা ছেলে চোদাচুদি... আহ... বীর্য ঢেলে দে আমার গুদে।”

মিথিলা পাশে বসে দেখছে, তার হাত নিজের শর্টসের ভিতর। “দাদা, মাকে এমন চুদছো যে আমার গুদ ভিজে যাচ্ছে। আমার বালও কেটে দাও,” সে বলল। আমি মাকে চুদতে চুদতে মিথিলার দিকে তাকালাম। মা তখন অর্গাজমে কাঁপছে, তার গুদ থেকে রস বেরিয়ে আমার ধোন ভিজিয়ে দিচ্ছে। আমি ধোন বের করে মায়ের মুখে দিলাম, সে চুষতে লাগলেন। মিথিলা শুয়ে পড়ল। তার শর্টস খুলে দেখি তার গুদটা ছোট ছোট, টাইট, কিন্তু বাল অনেক। আমি ফোম লাগিয়ে তার বাল কাটতে শুরু করলাম। রেজার চলছে আর আমার আঙুল তার ক্লিট ঘষছে। “দাদা, তোমার আঙুলে আমার গুদ ফেটে যাচ্ছে... আহ... বোনের বাল কেটে গুদ চুদা... চোদো আমাকে,” মিথিলা বলল। বাল কেটে তার গুদটা পুরো পরিষ্কার হয়ে গেল, গোলাপি গোলাপি, একদম টাইট। আমি মুখ নামিয়ে তার গুদ চাটতে শুরু করলাম, জিভ ঢুকিয়ে ভিতরটা চাটছি। মিথিলা আমার মাথা চেপে ধরে কাঁপছে।

মা এসে আমার ধোন চুষতে লাগলেন। এখন দুজনেই আমার সাথে। আমি মিথিলার টাইট গুদে ধোন ঢোকাতে গেলাম। খুব টাইট, কিন্তু ভিজা বলে ধীরে ধীরে ঢুকল। “উফ দাদা, তোমার ধোনটা আমার গুদ ফাটিয়ে দিচ্ছে... চোদো বোনকে... মা আর বোনকে একসাথে চুদছো তুমি,” মিথিলা চেঁচিয়ে উঠল। আমি জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলাম, এক হাতে মায়ের দুধ চটকাচ্ছি। মা বললেন, “প্রীতম, তোর বোনের গুদ চুদতে চুদতে আমার গুদে আঙুল দে।” আমি দুজনকেই একসাথে সেবা করছি। বৃষ্টির শব্দের সাথে আমাদের চোদাচুদির শব্দ মিলে এক অদ্ভুত রোমাঞ্চ তৈরি হচ্ছে। আমার ধোন মিথিলার গুদ থেকে বের করে মায়ের গুদে ঢুকিয়ে দিলাম, তারপর আবার বোনেরটায়। “এই তো মায়ের গুদ চোদা গল্প, বোনের বাল কেটে গুদ চুদা... বৃষ্টির দুপুরে মা ও বোনের ভিজা গুদ ফাটিয়ে চুদছি,” আমি গর্জন করে বললাম।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলল এভাবে। আমি মায়ের পাছায় ধোন ঢুকিয়ে পাছা মারলাম, মিথিলা মায়ের দুধ চাটছে। তারপর মিথিলার পাছায় ঢুকিয়ে ফাটা পাছা মেরে দিলাম। দুজনেরই গুদ আর পাছা আমার বীর্যে ভরে দিলাম। কিন্তু এখনো শেষ হয়নি। বৃষ্টি আরো জোরে পড়ছে, আর আমাদের শরীর তিনজনেরই ঘামে ভিজে একাকার। মা আর মিথিলা দুজনেই আমার ধোন চুষছে একসাথে, তাদের জিভ আমার ধোনের মাথায় ঘুরছে। “দাদা, আরো চোদো... আমাদের গুদ দুটো তোমার ধোনের জন্যই তৈরি,” মিথিলা বলল। আমি আবার মায়ের উপর উঠে চুদতে শুরু করলাম, এবার আরো জোরে, তার ফাটা পাছা চেপে ধরে। মা চিৎকার করছেন, “বীর্য ঢেলে দে রে প্রীতম... তোর মাকে বউ বানিয়ে দে... মা ছেলে চোদাচুদি করে আজ পাগল হয়ে গেছি।”

এই বৃষ্টির দুপুরে মা কণিকা আর বোন মিথিলার বাল কেটে তাদের ভিজা গুদ চুদে আমি যেন স্বর্গ পেয়ে গেছি। কিন্তু এখনো অনেক কিছু বাকি। আমার ধোন আবার খাড়া হয়ে উঠছে, আর দুজনের চোখে আরো চাওয়া। বৃষ্টি থামার কোনো লক্ষণ নেই, আর আমাদের চোদাচুদিও থামবে না...

বৃষ্টি যেন আরও জোরে ঝমঝম করে পড়ছে, জানালার কাচে ফোঁটা ফোঁটা জলের ধারা নেমে আসছে আর আমাদের তিনজনের শরীর ঘামে আর রসে ভিজে একাকার। মা কণিকা আর বোন মিথিলা দুজনেই আমার ধোন চুষতে চুষতে এমনভাবে চোখ তুলে তাকাচ্ছে যেন এই বৃষ্টির দুপুরে মা ছেলে চোদাচুদি আর বোনের টাইট গুদ ফাটিয়ে চোদা ছাড়া আর কোনো কাজ নেই। আমার ধোনটা তাদের দুজনের জিভের মাঝে ঘুরছে, মা একদিক থেকে চুষছে আর মিথিলা অন্যদিক থেকে লেহন করছে। “উফ দাদা, তোমার ধোনের স্বাদটা কী অসাধারণ... মায়ের গুদ চোদা গল্প সত্যি হয়ে গেল, এখন বোনের ভিজা গুদও ফাটিয়ে দাও,” মিথিলা ফিসফিস করে বলল, তার জিভটা আমার ধোনের মাথায় ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চাটছে।

মা কণিকা আমার বল দুটো চুষতে চুষতে বললেন, “প্রীতম রে, তোর ধোনটা আজ আমার গুদ আর পাছা দুটোকেই ফাটিয়ে দিয়েছে। বৃষ্টির দুপুরে মা ও বোনের বাল কেটে চোদাচুদি... আহ... আরো চোদ মাকে... তোর মাকে বউ বানিয়ে ফেল।” আমি আর থাকতে পারলাম না। তাদের দুজনকে উঠিয়ে নিয়ে সোফার উপর ফেললাম। মিথিলাকে প্রথমে চিত করে শুইয়ে তার টাইট গুদের দিকে তাকালাম। বাল কেটে দেওয়ার পর তার গুদটা পুরো গোলাপি, ভিজে চকচক করছে, ঠোঁট দুটো ফুলে উঠেছে। আমি হাঁটু গেড়ে বসে ধোনের মাথা তার গুদের ফাঁকে ঘষতে লাগলাম। “দাদা, আর দেরি করো না... তোমার ধোনটা আমার টাইট গুদে ঢুকিয়ে দাও... বোনের গুদ চোদা করে ফাটিয়ে দাও,” মিথিলা পা দুটো আরও ফাঁক করে দিয়ে চিৎকার করল।

এক ঠাপে আমার মোটা ধোনটা তার ভিজা গুদের ভিতর ঢুকে গেল। “আআহ... দাদা... তোমার ধোনটা আমার গুদ ফাটিয়ে দিচ্ছে... উফ... এত মোটা... চোদো... জোরে চোদো বোনকে,” মিথিলা চেঁচিয়ে উঠল। আমি জোরে জোরে ঠাপাতে শুরু করলাম, প্রত্যেক ঠাপে তার ছোট ছোট দুধ দুলছে, তার গুদ থেকে ফচ ফচ শব্দ বেরোচ্ছে। মা পাশে বসে মিথিলার দুধ চাটতে শুরু করলেন, এক হাতে নিজের গুদে আঙুল ঢুকিয়ে নাড়াচ্ছেন। “দেখ মা, তোর মেয়ের টাইট গুদ কেমন আমার ধোন চুষছে... বৃষ্টির দুপুরে মা বোন চুদাচুদি করে আমি স্বর্গ পেয়েছি,” আমি গর্জন করে বললাম। মিথিলার গুদটা এত টাইট যে প্রত্যেকবার ধোন ঢোকানোর সময় মনে হচ্ছে ফেটে যাবে। আমি তার পা দুটো কাঁধে তুলে আরও গভীরে ঢুকিয়ে দিলাম।

মা এসে আমার পিঠে চুমু খেতে খেতে বললেন, “প্রীতম, তোর বোনকে চুদতে চুদতে আমার পাছায় ধোন দে... মায়ের ফাটা পাছা মেরে ধোন চুদাচুদি কর।” আমি ধোন বের করে মিথিলার মুখে ঢুকিয়ে দিলাম, সে চোখ বন্ধ করে চুষতে লাগল। তারপর মাকে কুকুরের মতো করে বসিয়ে তার মোটা ফাটা পাছা দুটো চাপড় মেরে ধোনটা পেছন থেকে গুদে ঢুকিয়ে দিলাম। “আহ... প্রীতম... তোর ধোনটা মায়ের গুদে পুরো ঢুকে গেছে... চোদ রে... মা ছেলে চোদাচুদি... তোর মাকে আজ পুরো চুদে ফাটিয়ে দে,” মা চিৎকার করতে করতে পাছা পিছনে ঠেলতে লাগলেন। আমি তার পাছা দুটো চেপে ধরে জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলাম, প্রত্যেক ঠাপে তার বড় বড় দুধ দুলছে আর ঘর ভরে যাচ্ছে চোদাচুদির শব্দে।

মিথিলা উঠে এসে মায়ের দুধ চুষতে শুরু করল, এক হাতে নিজের গুদে আঙুল ঢুকিয়ে নাড়াচ্ছে। আমি মাকে চুদতে চুদতে মিথিলার গুদে দুই আঙুল ঢুকিয়ে দিলাম। তিনজনের শরীর একসাথে দুলছে, বৃষ্টির শব্দের সাথে মিলে একটা অদ্ভুত সুর তৈরি হয়েছে। “দাদা, আমার গুদটা তোমার আঙুলে চুষছে... আর মাকে এমন চুদছো... আমি আর পারছি না,” মিথিলা কাঁপতে কাঁপতে বলল। আমি ধোন বের করে মিথিলাকে উপরে তুলে নিলাম। সে আমার কোলে উঠে বসে ধোনটা নিজের গুদে বসিয়ে দিল। কাউগার্ল স্টাইলে সে উপর নিচ করতে শুরু করল, তার টাইট গুদ আমার ধোন চেপে ধরছে। “উফ দাদা... তোমার ধোনটা আমার গুদের ভিতর ফুলে উঠেছে... বোনের টাইট গুদ ফাটিয়ে চোদা... চোদো দাদা... জোরে,” সে চেঁচিয়ে উঠল।

মা পেছন থেকে মিথিলার পাছা চাটতে শুরু করলেন, তার জিভ মিথিলার পাছার ফাঁকে ঢুকে যাচ্ছে। আমি মিথিলার দুধ চটকাতে চটকাতে নিচ থেকে ঠাপাতে লাগলাম। এভাবে কিছুক্ষণ চলার পর আমি মাকে শুইয়ে তার উপর উঠে মিশনারি স্টাইলে চুদতে শুরু করলাম। মিথিলা মায়ের মুখের উপর বসে তার গুদ চাটতে দিল। দুজনেই একে অপরের গুদ চাটছে আর আমি মায়ের গুদ চুদছি। “মা, তোমার গুদটা কী ভিজা... বৃষ্টির দুপুরে মা ও বোনের ভিজা গুদ চুদা করে আমি পাগল হয়ে গেছি,” আমি বললাম। মায়ের গুদ থেকে রস বেরিয়ে সোফা ভিজিয়ে দিচ্ছে। মিথিলা মায়ের ক্লিট চুষছে আর আমার ধোনের গোড়ায় চুমু খাচ্ছে।

আমি ধোন বের করে এবার মিথিলার পাছায় লাগালাম। তার ছোট টাইট পাছাটা একটু কষ্ট করে কিন্তু ভিজা বলে ধীরে ধীরে ঢুকে গেল। “আআহ... দাদা... আমার পাছা ফাটিয়ে দিচ্ছো... উফ... এত মোটা ধোন... চোদো বোনের ফাটা পাছা... পাছা মেরে ধোন চুদাচুদি করো,” মিথিলা কাঁদতে কাঁদতে বলল। আমি তার পাছা চেপে ধরে জোরে ঠাপাতে লাগলাম। মা নিচে শুয়ে মিথিলার গুদ চাটছে আর আমার বল চুষছে। এই দৃশ্যটা দেখে আমার ধোন আরও শক্ত হয়ে গেল। “মা, দেখো তোমার মেয়ের পাছা কেমন আমার ধোন চুষছে... বোনের ভিজা গুদ আর পাছা দুটোই আজ আমার,” আমি বললাম।

ঘণ্টা দুয়েক এভাবে চলল। আমি তাদের দুজনকে পালা করে চুদছি, কখনো গুদে, কখনো পাছায়। মা আর মিথিলা দুজনেই একে অপরের দুধ চাটছে, গুদ চাটছে। শেষে আমি দুজনকে পাশাপাশি শুইয়ে তাদের দুই গুদের মাঝে ধোন ঘষতে লাগলাম। “আর পারছি না... বীর্য ঢেলে দে রে প্রীতম... মায়ের গুদে বীর্য ঢেলে দে... তারপর বোনের গুদেও,” মা চিৎকার করলেন। আমি প্রথমে মায়ের গুদে ধোন ঢুকিয়ে জোরে জোরে ঠাপিয়ে প্রচুর বীর্য ঢেলে দিলাম। গরম বীর্য তার গুদ ভরিয়ে দিল, বেরিয়ে এসে তার পাছা বেয়ে নামছে। তারপর মিথিলার টাইট গুদে ঢুকিয়ে বাকি বীর্য ঢেলে দিলাম। “আহ দাদা... আমার গুদ ভরে গেছে তোমার বীর্যে... বোনের গুদ চোদা করে বীর্য ঢেলে দিলে,” মিথিলা কাঁপতে কাঁপতে অর্গাজমে ভেঙে পড়ল।

আমরা তিনজনেই হাঁপাতে হাঁপাতে পড়ে রইলাম। বৃষ্টি এখনো পড়ছে, ঘরের ভিতরটা গরম আর নোংরা গন্ধে ভরে গেছে। কিন্তু আমার ধোন আবার নড়চড় করছে। মা আর মিথিলা দুজনেই হেসে আমার ধোন ধরে চুষতে শুরু করল। “এখনো শেষ হয়নি রে প্রীতম... বৃষ্টির দুপুরে মা ও বোনের বাল কেটে চোদাচুদি আরও অনেক বাকি... তোর মাকে আর বোনকে আজ পুরো রাত চুদবি,” মা বললেন, চোখে চকচকে চাওয়া। মিথিলা আমার কানে ফিসফিস করল, “দাদা, এবার আমাদের দুজনকে একসাথে চুদো... মা আর বোনের গুদ আর পাছা একসাথে ফাটিয়ে দাও।”

আমি তাদের দুজনকে নিয়ে আবার শুরু করলাম। এবার আমি মিথিলাকে উপরে শুইয়ে তার গুদে ধোন ঢুকিয়ে দিলাম। মা পেছন থেকে আমার পাছায় আঙুল ঢুকিয়ে দিলেন। সেই সাথে মিথিলার দুধ চাটছেন। “উফ... দাদা... মা তোমার পাছায় আঙুল দিচ্ছে... আমার গুদ চুদতে চুদতে আরও জোরে ঠাপাও,” মিথিলা বলল। আমি জোরে ঠাপাতে লাগলাম। তারপর পজিশন চেঞ্জ করে মাকে উপরে তুলে তার গুদে ধোন বসিয়ে দিলাম। মিথিলা মায়ের পেছনে বসে তার পাছায় ধোনের মাথা ঘষছে। আমরা তিনজন এক হয়ে চোদাচুদি করছি। বৃষ্টির দুপুর যেন আমাদের জন্যই এসেছে। মায়ের গুদ চোদা গল্প, বোনের টাইট গুদ ফাটিয়ে চোদা, মায়ের ফাটা পাছা মেরে ধোন চুদাচুদি—সবকিছু আজ সত্যি হয়ে গেছে।

আমি তাদের দুজনের গুদ আর পাছায় বারবার ধোন ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চুদছি। তাদের দুধ চাটছি, গুদ চাটছি, পাছা চাটছি। প্রত্যেক অর্গাজমের পর আরেকটা শুরু হচ্ছে। মা আর মিথিলা এখন পুরো আমার বউ হয়ে গেছে। “প্রীতম, তোর ধোন ছাড়া আমরা আর কিছু চাই না... বৃষ্টির দুপুরে মা ও বোনের ভিজা গুদ চুদা করে আমাদের স্বর্গ দিয়েছিস,” মা বললেন। আমি হাসলাম, “মা, এখনো অনেক বাকি। এই বৃষ্টি যতক্ষণ চলবে, ততক্ষণ আমাদের চোদাচুদি চলবে।”

আমার ধোন আবার পুরো শক্ত হয়ে উঠেছে। মিথিলা আর মা দুজনেই হাঁটু গেড়ে বসে আমার ধোন চুষছে, তাদের মুখে বীর্য লেগে আছে। বৃষ্টির শব্দ আর আমাদের নোংরা শব্দ মিলে ঘরটা ভরে গেছে। এই দুপুরটা আর শেষ হবে না...

বৃষ্টি এখন আরও প্রচণ্ড হয়ে উঠেছে, যেন আকাশটা নিজের সব আবেগ ঢেলে দিচ্ছে আমাদের এই চোদাচুদির উপর। ঘরের ভিতরটা গরম, ভ্যাপসা, আর নোংরা গন্ধে ভরে গেছে—মায়ের গুদের রস, বোনের ভিজা গুদের সুবাস, আমার ধোনের গন্ধ আর বীর্যের মিশ্রণে পুরো বাতাসটা ভারী। আমি প্রীতম, সোফার উপর শুয়ে আছি, আর আমার দুই হাতে মা কণিকা আর বোন মিথিলা দুজনেই হাঁটু গেড়ে বসে আমার ধোনটা চুষছে। মায়ের বড় বড় ঠোঁট আমার ধোনের মাথাটা পুরো মুখে নিয়ে চুষছে, আর মিথিলার ছোট ছোট জিভটা নিচ থেকে বল দুটো লেহন করছে। “উফ দাদা... তোমার ধোনটা এখনো এত শক্ত... আমাদের গুদ দুটোকে আরও চোদো... বৃষ্টির দুপুরে মা ও বোনের বাল কেটে চোদাচুদি শেষ করব না যতক্ষণ না তোমার বীর্য আমাদের গুদ ভরিয়ে দাও,” মিথিলা চুষতে চুষতে বলল, তার চোখে পাগলামি।

মা কণিকা ধোনটা মুখ থেকে বের করে আমার চোখে চোখ রেখে বললেন, “প্রীতম রে, তোর মা’র গুদ আজ তোর ধোনের জন্য পাগল হয়ে গেছে। মায়ের ফাটা পাছা মেরে ধোন চুদাচুদি করে, বোনের টাইট গুদ ফাটিয়ে চোদা করে এখন আমরা তিনজন এক হয়ে গেছি। আর দেরি করিস না... আমাদের দুজনকে একসাথে চুদে ফাটিয়ে দে।” তাদের কথায় আমার ধোনটা আরও ফুলে উঠল। আমি উঠে বসলাম, মাকে প্রথমে চিত করে শুইয়ে দিলাম। তার মোটা মোটা পাছা দুটো চেপে ধরে পা দুটো কাঁধের উপর তুলে ধোনের মাথা তার ভিজা গুদের ফাঁকে ঘষতে লাগলাম। মায়ের গুদটা এখনো আমার আগের বীর্যে ভেজা, ফচ ফচ করে শব্দ হচ্ছে। “মা, তোমার এই ফাটা গুদটা দেখে আমার ধোন ফেটে যাচ্ছে... মায়ের গুদ চোদা গল্প আজ শেষ হবে না, তোমাকে আরও চুদব,” আমি বলে এক ঠাপে পুরো ধোনটা ঢুকিয়ে দিলাম।

মা চিৎকার করে উঠলেন, “আআহ... প্রীতম... তোর ধোনটা মায়ের গুদ ফাটিয়ে দিচ্ছে... জোরে চোদ... মা ছেলে চোদাচুদি করে আমি স্বর্গে চলে গেছি রে...” আমি জোরে জোরে ঠাপাতে শুরু করলাম, প্রত্যেক ঠাপে তার বড় বড় দুধ দুলছে আর তার পাছা আমার কোমরে আছড়ে পড়ছে। মিথিলা পাশে বসে মায়ের দুধ চুষতে শুরু করল, এক হাতে নিজের গুদে আঙুল ঢুকিয়ে নাড়াচ্ছে। “দাদা, মাকে এমন চুদছো যে আমার গুদ থেকে রস পড়ছে... আমাকেও চোদো... বোনের ভিজা গুদ চুদা করে ফাটিয়ে দাও,” সে কাঁপতে কাঁপতে বলল। আমি ধোন বের করে মিথিলাকে টেনে নিয়ে তার মুখে ঢুকিয়ে দিলাম। সে গলা পর্যন্ত নিয়ে চুষতে লাগল। তারপর মাকে কুকুর স্টাইলে বসিয়ে তার ফাটা পাছায় ধোন ঢুকিয়ে পাছা মারতে শুরু করলাম।

“উফ প্রীতম... তোর ধোনটা মায়ের পাছায় পুরো ঢুকে গেছে... পাছা মেরে ধোন চুদাচুদি কর... ফাটিয়ে দে আমার পাছা...” মা পাছা পিছনে ঠেলে ঠেলে বলছেন। আমি তার পাছার গোল গোল মাংস চেপে ধরে জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলাম, প্রত্যেক ঠাপে ফচ ফচ শব্দ আর মায়ের চিৎকার ঘর ভরিয়ে দিচ্ছে। মিথিলা নিচে শুয়ে মায়ের গুদ চাটতে শুরু করল, তার জিভ আমার ধোনের গোড়ায় লেগে যাচ্ছে। এই দৃশ্য দেখে আমার মাথা ঘুরছে। আমি ধোন বের করে মিথিলার টাইট গুদে ঢুকিয়ে দিলাম। সে চিত হয়ে শুয়ে পা ফাঁক করে দিল। “দাদা... তোমার ধোনটা আমার টাইট গুদে আবার ঢুকছে... বোনের গুদ চোদা করে আজ আমাকে বউ বানিয়ে ফেল... চোদো জোরে...”

আমি মিথিলার উপর উঠে মিশনারি স্টাইলে চুদতে লাগলাম, তার ছোট দুধ চটকাতে চটকাতে। মা পেছন থেকে এসে আমার পাছায় আঙুল ঢুকিয়ে দিলেন আর মিথিলার ক্লিট চুষতে লাগলেন। তিনজনের শরীর একসাথে দুলছে, বৃষ্টির ঝমঝম শব্দের সাথে মিলে একটা পাগল করা সুর তৈরি হয়েছে। “দেখ মা, তোর মেয়ের গুদ কেমন আমার ধোন চুষছে... বৃষ্টির দুপুরে মা বোন চুদাচুদি করে আমরা তিনজন এক হয়ে গেছি,” আমি গর্জন করে বললাম। মিথিলা অর্গাজমে কাঁপতে কাঁপতে চিৎকার করল, তার গুদ থেকে রস বেরিয়ে আমার ধোন ভিজিয়ে দিল।

আমি ধোন বের করে দুজনকে পাশাপাশি শুইয়ে দিলাম। তাদের দুই গুদ পাশাপাশি, একটা মোটা ফাটা, আরেকটা টাইট গোলাপি। আমি প্রথমে মায়ের গুদে ধোন ঢুকিয়ে কয়েকটা জোর ঠাপ দিলাম, তারপর বের করে মিথিলার গুদে ঢুকিয়ে দিলাম। এভাবে পালা করে চুদছি। “আহ প্রীতম... দুই গুদে ধোন ঘুরিয়ে চোদছিস... মায়ের গুদ চোদা গল্প আর বোনের টাইট গুদ ফাটিয়ে চোদা একসাথে... আমরা তোর দুই বউ হয়ে গেছি রে,” মা বললেন। মিথিলা আমার বল চুষছে আর মায়ের দুধ চটকাচ্ছে। আমি তাদের দুজনের পাছায় চাপড় মারছি, দুধ চাটছি, গুদ চাটছি।

শেষবারের মতো আমি মাকে উপরে তুলে কাউগার্ল স্টাইলে বসিয়ে দিলাম। সে উপর নিচ করতে করতে চিৎকার করছে, “চোদ রে প্রীতম... তোর মাকে শেষ করে দে... বীর্য ঢেলে দে আমার গুদে...” মিথিলা পেছন থেকে মায়ের পাছা চাটছে আর আমার ধোনের গোড়া চুষছে। আমার ধোন ফুলে উঠল, আর আমি মায়ের গুদে প্রচুর গরম বীর্য ঢেলে দিলাম। মা কাঁপতে কাঁপতে অর্গাজমে ভেঙে পড়লেন। তারপর ধোন বের করে মিথিলার মুখে ঢুকিয়ে বাকি বীর্য তার গলায় ঢেলে দিলাম। মিথিলা সব গিলে নিয়ে আমার ধোন চেটে পরিষ্কার করে দিল।

আমরা তিনজনেই হাঁপাতে হাঁপাতে পড়ে রইলাম। বৃষ্টি এখন একটু কমেছে, কিন্তু ঘরের ভিতরটা এখনো গরম। মা আমার বুকে মাথা রেখে বললেন, “প্রীতম, আজ বৃষ্টির দুপুরে তুই আমাদের বাল কেটে যা করলি... মা ছেলে চোদাচুদি, বোনের গুদ চোদা... সব স্বপ্ন সত্যি হয়ে গেছে। এখন থেকে এই বাড়িতে আমরা তিনজন একসাথে থাকব, চুদব, চুদাব।” মিথিলা আমার কানে চুমু খেয়ে ফিসফিস করল, “দাদা, পরের বৃষ্টির দুপুরে আবার আমাদের গুদে বাল গজাবে... তখন আবার কেটে চুদবি। কিন্তু এখন... আমাদের গুদ দুটো তোর ধোনের জন্য সবসময় খোলা থাকবে।”

আমি তাদের দুজনকে জড়িয়ে ধরলাম। আমার ধোন এখনো নরম হয়নি, কিন্তু শান্ত হয়েছে। বৃষ্টির দুপুর শেষ হয়ে এসেছে, কিন্তু আমাদের এই নতুন সম্পর্ক শুরু হয়েছে। মায়ের ফাটা পাছা মেরে ধোন চুদাচুদি, বোনের ভিজা গুদ চুদা, দুধ চাটতে চাটতে মাকে বউ বানানো—সবকিছু আজ এক অবিস্মরণীয় রোমাঞ্চে পরিণত হয়েছে। আমি চোখ বন্ধ করলাম, তাদের শরীরের উষ্ণতা অনুভব করতে করতে। এই বৃষ্টির দুপুরটা আমাদের জীবনের সবচেয়ে নোংরা, সবচেয়ে সুন্দর দুপুর হয়ে রইল।

আর কোনো কথা না বলে আমরা তিনজনেই জড়াজড়ি করে শুয়ে রইলাম। বাইরে বৃষ্টি থেমে গেছে, কিন্তু আমাদের ভিতরের ঝড়টা চিরকালের জন্য থেকে গেল।


Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url